আল্লাহর অশেষ নেয়ামত প্রত্যেকটা মানব কুলের কাছে দিয়ে গেছেন রোজার ফজিলত হিসাবে
রোজার ফজিলত
আল্লাহ তায়ালার অশেষ নেয়ামত মানুষ মানব কুলে তার প্রত্যেকটাই নেয়ামত নিজস্বভাবে গ্রহণ করে আসতেছে।
প্রত্যেকটা জিনিসই যখন ইচ্ছা তখন খাওয়া খাইতে পারতেছে পরিধান করতে পারতেছে বসবাসযোগ্য প্রত্যেকটা জিনিসই মানুষ নিজের ইচ্ছামত করতে পারতেছে।
আল্লাহ তায়ালা মানব কুলের জন্য রোজা ফরজ করে দিয়েছে যদি একাধারে মানুষ খেতেই থাকে তাহলে তো বুঝতেই পারবে না যারা ক্ষুধার্ত ব্যক্তি তাদের কষ্টটা।
রোজার ফজিলত হিসেবে আল্লাহতালা মানুষের অসংখ্য নেয়ামত কেয়ামতের দিন তার সামনে উপস্থাপন করবে।
রোজার ফজিলত তারাই ভোগ করবে যারা আল্লাহর প্রতিটা পদক্ষেপ অনুশোচনা করেন। রোজার ফজিলত সেই ব্যক্তি উপভোগ করতে পারবেন যে ব্যক্তি পরিপূর্ণভাবে প্রতিটা রোজাকে প্রতিটা মুহূর্ত পানাহার থেকে বিরত থাকবেন।
রোজার ফজিলত সেই ব্যক্তিটাই পরিপূর্ণভাবে পাবেন আল্লাহ তাআলা তাকে নিজ হাতে দিবেন রোজার ফজিলত হিসেবে সেই ব্যক্তিটাই নিজ হাতে পেয়ে যাবেন আল্লাহর অশেষ উপহার রোজার ফজিলত হিসেবে।
আল্লাহ তাআলা রোজার ফজিলত হিসেবে নিজ হাতে আল্লাহ তাআলা প্রত্যেকটা মানবকুলকে তার উপহার উপস্থাপন করবেন তার রোজার ফজিলত হিসাবে।
রোজার ফজিলত সেই ব্যক্তি পাবে যে ব্যক্তি শুধু পানাহার থেকে বিরত নয় পরিপূর্ণভাবে যে রোজা থাকবে সেই একমাত্র রোজার ফজিলত উপভোগ করতে পারবে।
রোজা থেকে করা যাবে না চুরি বলা যাবে না মিথ্যা কখনো কখনো অবৈধ অনৈতিক কাজে কর্ম লিপ্ত হওয়া যাবে না রোজার ফজিলত সেই পাবে।
চোখ আছে অন্ধ সেজে থাকতে হবে কোন কর্ম কোন অবৈধ কাজে দিকে দর্শন করা যাবে না কোন মহিলার দিকে এক নজরের বেশি তাকানো যাবেনা রোজার ফজিলত সেই পাবে।
রোজার ফজিলত সেই পাবে যে ব্যক্তি রোজাটা পরিপূর্ণ ভাবে নিজের স্বয়ং কক্ষে উপস্থাপন করে রোজার ফজিলত সেই পাবে আল্লাহ তাআলা তাকেই দিবে রোজার ফজিলত।
আল্লাহ তাআলা নিজে স্বয়ং বলেছে আমি তাকে যে ব্যক্তি রোজা থাকবে রোজা আমার জন্য আমি তাকে নিজ হাতে তার ফজিলত দিবো আমি নিজ হাতে তাকে উপস্থাপন করব আমি নিজ হাতে থাকে তার উপহার দিয়ে দিব।
বুখারী শরীফের হাদিস ১৮৯৪। শুধু এই নয় আল্লাহতায়ালা বলেছে রোজাদারদের মুখ থেকে যে দুর্গন্ধ বের হয় আসরের সব আমি তাকে সুমধুর করে দেব কেয়ামতের দিনে তার ওই সময় এই রোজা থাকার যে দুর্গন্ধ মুখ থেকে বের হয় ক্ষুধার্ত অবস্থায় পানাহার অবস্থায় যে থাকে তাকে আমি নিজ হাতে রোজার ফজিলত দিব।
আল্লাহ তায়ালা রোজাদারকে এতটাই ভালবাসছেন এতটাই ভালোবাসেন যে রোজার দিনে প্রত্যেকটা শয়তানকে শিকল বন্ধ করে রেখেছেন এর থেকে আর বড় ফজিলত আর কি চাই আমরা সাধারণ মানুষ।
রোজার ফজিলত হিসাবে আল্লাহ তাআলা এমন খরচের কথা বলে দিয়েছেন যে যত খরচ করছ তুমি করো রোজার মাসে কোন হিসাব নেয়া হবে না রোজার ফজিলত আল্লাহ তায়ালা স্বয়ং রোজার ফজিলত যে যত ইচ্ছা খাও তোমার একেই মাসে খাবারের কোন হিসাব নেয়া হবে না।
দুনিয়ার বুকে এই রোজাদার যে যে ফজিলত আল্লাহতালা দিয়েছেন তা প্রতিটা স্বয়ং মানুষের জানা দরকার।
রোজা থাকার অনেকগুলি নিয়ম আছে যা প্রত্যেকটা মানুষেরই জানা দরকার রোজা থেকে মিথ্যা কথা বলা যাবে না রোজা থেকে চুরি করা যাবে না রোজা থেকে কুদৃষ্টির দিকে তাকানো যাবেনা রোজা থেকে মিথ্যা কথা বলা যাবে না রোজা থেকে চুরি বাটপারি থেকে
সবসময়ের জন্য বিরত রাখতে হবে রোজা থেকে সবসময়ের জন্য রোজা তাদেরকে সবসময়ের জন্য আল্লাহ আল্লাহ করতে হবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে হবে রোজা সবসময়ের জন্য তারাবি নামাজ পড়তে হবে তাদেরকে পায়ে দিয়ে দিতে হবে।